
গাজীপুর প্রতিবেদক: হাসনাৎ উল্লাহ।
কক্সবাজারে পর্যটন নিরাপত্তার চিত্র এখন অনন্য উচ্চতায়। আর এই পরিবর্তনের নেপথ্যে যে নামটি এখন সকলের মুখে মুখে—তিনি ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের প্রধান এসপি মোঃ আপেল মাহমুদ।
মানুষ এখন একবাক্যে বলছে— “কক্সবাজারে নিরাপত্তার আরেক নাম—এসপি আপেল মাহমুদ স্যার।”
কক্সবাজারের নিরাপত্তায় অভূতপূর্ব পরিবর্তন।
একসময় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় পর্যটক হয়রানি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা—
ট্যুরিস্টদের সাথে প্রতারণা, জোর করে ছবি তোলা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, বেআইনি সেলফি ড্রোন টিম, রাতের অন্ধকারে আড্ডা ও চাঁদাবাজি, ফুড ও হোটেল সেক্টরে অনিয়ম, এমন অসংখ্য ঝামেলা পর্যটকদের ভ্রমণ আনন্দ নষ্ট করে দিত। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পর এসপি আপেল মাহমুদ একের পর এক অভিযান, কঠোর মনিটরিং, প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জিরো টলারেন্স নীতির মাধ্যমে এসব অবৈধ কার্যক্রম প্রায় শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনেন।
পর্যটকদের মুখে এখন একটাই নির্ভরতার নাম।
আজ কক্সবাজারে ভ্রমণে গেলে পর্যটকদের মুখে মুখে শোনা যায়— টেনশন নাই, আপেল মাহমুদ স্যার আছেন! “বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে কক্সবাজারে গেলে নিরাপত্তা বলতে এখন একটাই নাম—এসপি আপেল মাহমুদ।” যেখানে সমস্যা, সেখানে সমাধান—এটাই নাকি তাঁর স্টাইল। পর্যটকদের ফোন কল পাওয়া মাত্র দ্রুত টহল পাঠানো, সৈকত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, রাতে বিচে আলোকসজ্জা বৃদ্ধি, হকার নিয়ন্ত্রণ—এসব পরিবর্তন সাধারণ মানুষকে দিয়েছে নতুন এক নিরাপত্তা অনুভূতি।
২৪ ঘণ্টা মাঠে থাকা একজন অফিসার।
এসপি আপেল মাহমুদ স্যারকে স্থানীয়রা বলেন— “একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা নয়, একজন অভিভাবক।” তিনি প্রায়ই রাতের অন্ধকারে টহল টিমের সাথে থাকেন, সরাসরি পর্যটকদের সাথে কথা বলেন, সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন। তাঁর এই নেতৃত্বের কারণেই রাত-বিরাতেও কক্সবাজার এখন ব্যস্ত, প্রাণবন্ত, নিরাপদ পর্যটন নগরী।
ট্যুরিস্ট পুলিশের ভাবমূর্তির আমূল পরিবর্তন।
একসময় অনেকের চোখে ট্যুরিস্ট পুলিশ ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতার বিভাগ। কিন্তু আজ কক্সবাজারই উদাহরণ—
“ট্যুরিস্ট পুলিশ মানেই সেবা ও নিরাপত্তা।” এসপি আপেল মাহমুদের নেতৃত্বে—
✔ বিচ এলাকায় বিশেষ সেফটি জোন
✔ সিসিটিভি ও ড্রোন নজরদারি
✔ মহিলা–শিশু-বয়স্কদের জন্য নিরাপদ করিডোর
✔ অভিযোগ গ্রহণে দ্রুত ব্যবস্থা
✔ লাইসেন্সহীন ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান
এসব ব্যবস্থা পর্যটকদের দিয়েছে অভূতপূর্ব স্বস্তি।
সারাদেশের পর্যটকরা এখন নিশ্চিন্ত।
ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে যারা কক্সবাজারে যান তারা একবাক্যে বলেন— “কক্সবাজারে কোনো সমস্যা হলে তো এসপি আপেল মাহমুদ স্যার আছেন, দুশ্চিন্তা কিসের!” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখা যায় তাঁর কাজের প্রশংসায় অসংখ্য পোস্ট। কেউ লিখেছেন— “কক্সবাজারের জন্য সৌভাগ্য যে আপেল মাহমুদ স্যার দায়িত্বে আছেন।”
কক্সবাজার বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী। আর সেই রাজধানীর নিরাপত্তা আজ যিনি নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন— তিনি এসপি আপেল মাহমুদ। তাঁর নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্ব আজ দেশের পর্যটন সেক্টরে এক নতুন আস্থা ও উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। কক্সবাজারের বর্তমান নিরাপত্তার পেছনে তাঁর নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব সত্যিই অনন্য।
ঢাকা ও গাজীপুরবাসীর কৃতজ্ঞতা।
কক্সবাজারে ভ্রমণে গেলে সবচেয়ে বেশি পর্যটক যান ঢাকা ও গাজীপুর থেকে। এসব এলাকার হাজারো পর্যটক এখন সোশ্যাল মিডিয়া ও সরাসরি আলাপচারিতায় একটাই কথা বলেন—
“এসপি আপেল মাহমুদ স্যারের কারণে কক্সবাজারে ভ্রমণ এখন পুরোপুরি নিরাপদ। ঢাকা ও গাজীপুর থেকে স্যারকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ।”
তাঁদের মতে— পরিবার নিয়ে ভ্রমণে আর ভয় নেই, রাতের কক্সবাজার এখন শতভাগ নিরাপদ, সমস্যা হলে কয়েক মিনিটেই সাড়া পাওয়া যায়, ট্যুরিস্ট পুলিশের আচরণ ও সেবায় এসেছে দারুণ পরিবর্তন
ঢাকা ও গাজীপুরের পর্যটকরা মনে করেন—
“বাংলাদেশে পর্যটন নিরাপত্তার মান বাড়াতে যদি কারো উদাহরণ দেখাতে হয়, তাহলে প্রথমে আসবে এসপি আপেল মাহমুদের নাম।